১৫ অক্টোবর, ২০১২

মহালয়ায় পিতৃপক্ষের অবসানে মাতৃপক্ষের সূচনা !!!

 রক্তবীজ বধে দেবী চন্ডমুন্ড বিনাশিনী রূপং দেহি জয়ং দেহি যশো দেহি দ্বিষো জহি  !!!

আশ্বিনের পূর্ণিমার পর থেকে যে কৃষ্ণপক্ষ শুরু হয় তা হল পিতৃপক্ষ । সূর্য তখন কন্যারাশিতে অবস্থান করে । হিন্দুধর্মের বিশ্বাস অনুসারে   পিতৃলোক থেকে আমাদের পূর্বপুরুষের আত্মা তখন অবতরণ করেন স্বর্গ্য লোক থেকে মর্ত্যে ।   অর্থাত আমাদের আশেপাশে তাঁরা বিরাজ করেন । তাই আমরা এই সময় তাঁদের তুষ্ট করি তর্পণের মাধ্যমে ।  একপক্ষকাল অর্থাত গণেশ চতুর্থীর পর যে পূর্ণিমা তার পরদিন থেকে এই কৃষ্ণপক্ষ চলে মহালয়া অবধি । আর এই পক্ষকাল আমরা বাস করি আমাদের পরম আত্মীয় পূজনীয় বন্ধুদের  স্মৃতিতর্পণ করে ।   কিংবদন্তী অনুসারে রামচন্দ্র  রাবণ বধ করার জন্য দুর্গাপুজো করবেন স্থির করেন ।  কিন্তু তখন দেবলোক ঘুমন্ত ছিল ।  ঘুমন্ত দেবলোককে জাগ্রত  করার উদ্দেশ্যে অকালবোধন করেছিলেন । তাই সেই অর্থে এই সময়ে প্রতিবছর দুর্গাপুজোর ঠিক আগেই স্বর্গলোকে আমাদের পিতৃপুরুষদেরও জাগ্রত করি ।   হিন্দুধর্মের বিশ্বাস, মহালয়ার পরদিন মা দুর্গা স্বর্গলোক থেকে অবতরণ করেণ মর্ত্যলোকে এবং পিতৃপক্ষের অবসান হয়ে দেবীপক্ষের   শুভ সূচনা হয় তখনি । 
মহালয়ার  অমাবস্যা তিথিতে দেবদেবীরা জাগ্রত হ'ন  এবং মাদুর্গার মৃন্ময়ী মূর্তিতে ঐ দিন চক্ষুদান করা হয় ।