আপনি যদি এই লেখা পড়তে পারেন তাহলে আপনার মেশিনে unicode font আছে । তাই আপনার লেখার কোন অসুবিধা হবে না । "Dont Panic" লেখাটির তলায় যে text box আছে তার ভেতরে cursor নিয়ে গিয়ে roman হরফে লিখুন "aami baaGalaa likhachhi" । দেখবেন নিচের সাদা জায়গায় এসে গেল "আমি বাঙলা লিখছি "। . লেখা শেষ হলে সাদা জায়গা থেকে text copy করুন -- highlight করে ctrl+c টিপে। তারপর যেখানে দরকার সেখানে গিয়ে paste করুন । কোন কঠিন বাঙলা অক্ষরে আটকে গেলে "Dont Panic"এর উপর cursor নিয়ে দেখুন সেটা "Read the guide" button হয়ে গেছে, তখন সেটা Press করুন। একটা Help screen খুলবে।
২৩ মার্চ, ২০০৮
এখানে বাঙলা লিখুন
আপনি যদি এই লেখা পড়তে পারেন তাহলে আপনার মেশিনে unicode font আছে । তাই আপনার লেখার কোন অসুবিধা হবে না । "Dont Panic" লেখাটির তলায় যে text box আছে তার ভেতরে cursor নিয়ে গিয়ে roman হরফে লিখুন "aami baaGalaa likhachhi" । দেখবেন নিচের সাদা জায়গায় এসে গেল "আমি বাঙলা লিখছি "। . লেখা শেষ হলে সাদা জায়গা থেকে text copy করুন -- highlight করে ctrl+c টিপে। তারপর যেখানে দরকার সেখানে গিয়ে paste করুন । কোন কঠিন বাঙলা অক্ষরে আটকে গেলে "Dont Panic"এর উপর cursor নিয়ে দেখুন সেটা "Read the guide" button হয়ে গেছে, তখন সেটা Press করুন। একটা Help screen খুলবে।
২৪ ফেব, ২০০৮
বাংলা ভাষায় ব্লগ লিখুন !
বাংলাতে লিখতে গেলে প্রথমে আপনার চাই একটি রোমান হরফ থেকে বাংলা হরফে ট্রান্সলিটারেট করার একটি সহজ উপায় । এর জন্য আপনি চলে যান এই ওয়েব্সাইটে । অথবা এই ওয়েব্সাইটে । অথবা অফলাইন কাজ করতে হলে এই ওয়েবসাইটে গিয়ে একটি বিনামুল্যের ওযার্ডপ্রোসেসার ডাউনলোড করে নিন । মহানন্দে এই রকম কথা টাইপ করুণ। স্ক্রিনে যা দেখবেন কাট্-পেস্ট করে একটি ইউনিকোড কম্প্যাটিবল ওয়ার্ডপ্রোসেসারে নিযে চলুন । মাইক্রোসফট ওইন্ডোজের নোটপাড খুব ভাল কাজ করবে । তারপর যে ভাবে সাধারন ইংরাজী ব্লগ পোস্ট করেণ সেই ভাবে নিউ পোস্ট খুলুন ও নোটপাড থেকে আবার কাট্-পেস্ট করে দিন । এই বার সাধারণ ভাবেই পাবলিশ করুণ। দেখবেন ব্লগে বাংলা হরফ দেখা যাচ্ছে ! যে মেশিনে ব্লগ লিখছেন আর যে মেশিনে ব্লগ পড়ছেন দুই মেশিনেই ইউনিকোড ব্যবস্থা থাকা দরকার । সব আধুনিক কম্পিউটারেই এখন ইউনিকোড থাকে অতএব চিন্তা করবেন না সব ঠিক কাজ করবে। একটু আধটু বানান ভুল হলে মাপ করে দেবেন। জয বংলা!
২৩ ফেব, ২০০৮
ইন্দি-পেন্ডেন্স !!!
আজ আমার ব্লগের যাত্রা হোলো শুরু...
স্বাধীনদেশের রক্ষণশীল, একান্নবর্তী পরিবারের কন্যা সন্তানের স্বাধীনতা ছোটথেকেই ছেঁটেকেটে রাখা হয়। আমার বেলাতেও তার ব্যাতিক্রম হয়নি । ছাঁটা-কাটা স্বাধীনতার ঘেরাটোপে, শুল্ক বসানো সাজপোশাক, কর চাপানো বন্ধুনির্বাচন, আর খাজনা আরোপিত বাইরে বেরোনো মেনে নিয়ে কি ভাগ্যি একটা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিলাভ করে,যথাসময়ে গুরুজনদের নির্বাচিত পাত্রের গলায় মাল্যদান । দস্তুরমতো বিদেশগমন এবং বেশ কিছুদিন পরে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন । এই ভাবে দেখতে দেখতে প্রায় উনিশটা বছর পার করেছি, একমাত্র পুত্রবধূ,স্ত্রী, মা এবং রসায়নের গৃহশিক্ষিকা রূপে। লক্ষ্মণের মত আদর্শ ভাই, রামের মত আদর্শ ছেলে, সীতার মত আদর্শ কন্যা, যুধিষ্ঠিরের মত আদর্শবানের সততা....এইসব আদর্শবান দের গল্প তো মাথার মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল সেই ছোটবেলা থেকে। তাই ছেড়েছিলাম অনেকটাই। তারপর একটা সময় এল, ভাবলাম, আর নয়। অনেক ছেড়েছি এ জীবনে। এবার নিজের জন্য ভাব রে মন। নিজের জন্য কিছু কর হে বঙ্গের আদর্শ হোমমেকার। অতএব রোজ রাতে শুতে যাবার আগে, সব কাজ সেরে শুরু হল ডায়েরী লেখা। সেটা কাগজে কলমে নয়। ডিজিটাল ডায়েরীতে মানে ব্লগে। কিন্তু স্বাধীন হতে পারিনি।
বিজ্ঞানের ছাত্রী হয়েও মাঝেমাঝে বাংলা সাহিত্যচর্চার স্বাদ থেকে নিজেকে বঞ্চিত করিনি। স্বামী পুত্র মাথা খেতে লাগল। বলল যা লিখছ সব আর জীবনে খুঁজে পাবেনা। হারিয়ে যাবে।
ভাবলাম স্বাধীনভাবে যখন লিখতে পারি মনের কথা ,প্রকাশ করতে পারি বাংলাভাষায় তখন... । কিন্তু সকলের উদ্দেশ্যে এই কথা,এই ভাষা ছড়িয়ে দেবার স্বাধীনতা নেই। বুঝলাম "এ কেবল দিনে রাত্রে ,জল ঢেলে ফুটা পাত্রে ,বৃথা চেষ্টা তৃষ্ণা মেটাবার।" হাল ছাড়লাম না। অবশেষে ইন্টারনেটের গোলকধাঁধায় হারিয়ে গেলাম ফাগুনের আগুনে রেঙে ওঠা এক পড়ন্ত বিকেলবেলায়। দিনটা ছিল ২৩ শে ফেব্রুয়ারি,শনিবার,২০০৮ .... আমার যাত্রা হোল শুরু।
খুলে ফেললাম নিজস্ব 'ব্লগ' । অসাধারণ আইডিয়া! অভিনব টেকনোলজি, স্বাধীনভাবে যা খুশী লেখো সেখানে। অব্যক্ত মনের কথা, অপ্রকাশিত প্রাণের ব্যাথা, বাংলা হরফে টাইপ করা আর কোনো বাধাই নয়। ইউসারফ্রেন্ডলি ফন্টের দৌলতে খটাখট টাইপ করে,আপলোড করে দাও ব্লগে। সারা পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের লোক পড়ছে আমার লেখা,মন্তব্য পাঠাচ্ছে ই-মেলে--এই বা কি কম কথা। আমি আজ স্বাধীন লেখক হলাম। এতদিনে প্রকৃত স্বাধীনতার স্বাদ পেলাম। যেখানে আমার হারিয়ে যেতে নেই মানা। যেখানে আমার লেখনীর ঝর্ণাকলমের মুক্ত হরফ, স্বাধীন ভাষার ছন্দে উদ্দাম নৃত্যের তালে তালে স্বাধীনভাবে সৃষ্টি করে চলেছে অবিরত। সব শাসনের লক্ষণরেখাকে মুছে দিয়ে স্বাধীন আমিই আমার একমাত্র সম্পাদক, প্রকাশক এবং সর্বোপরি মুদ্রাকর।
"সোনার তরীর রূপোর পালে ব্লগের হাওয়া লাগলো বলে, ঘুচল শিকল মুক্ত পাখির ফুটল বুলি যন্ত্রজালে।"
স্বাধীনদেশের রক্ষণশীল, একান্নবর্তী পরিবারের কন্যা সন্তানের স্বাধীনতা ছোটথেকেই ছেঁটেকেটে রাখা হয়। আমার বেলাতেও তার ব্যাতিক্রম হয়নি । ছাঁটা-কাটা স্বাধীনতার ঘেরাটোপে, শুল্ক বসানো সাজপোশাক, কর চাপানো বন্ধুনির্বাচন, আর খাজনা আরোপিত বাইরে বেরোনো মেনে নিয়ে কি ভাগ্যি একটা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিলাভ করে,যথাসময়ে গুরুজনদের নির্বাচিত পাত্রের গলায় মাল্যদান । দস্তুরমতো বিদেশগমন এবং বেশ কিছুদিন পরে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন । এই ভাবে দেখতে দেখতে প্রায় উনিশটা বছর পার করেছি, একমাত্র পুত্রবধূ,স্ত্রী, মা এবং রসায়নের গৃহশিক্ষিকা রূপে। লক্ষ্মণের মত আদর্শ ভাই, রামের মত আদর্শ ছেলে, সীতার মত আদর্শ কন্যা, যুধিষ্ঠিরের মত আদর্শবানের সততা....এইসব আদর্শবান দের গল্প তো মাথার মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল সেই ছোটবেলা থেকে। তাই ছেড়েছিলাম অনেকটাই। তারপর একটা সময় এল, ভাবলাম, আর নয়। অনেক ছেড়েছি এ জীবনে। এবার নিজের জন্য ভাব রে মন। নিজের জন্য কিছু কর হে বঙ্গের আদর্শ হোমমেকার। অতএব রোজ রাতে শুতে যাবার আগে, সব কাজ সেরে শুরু হল ডায়েরী লেখা। সেটা কাগজে কলমে নয়। ডিজিটাল ডায়েরীতে মানে ব্লগে। কিন্তু স্বাধীন হতে পারিনি।
বিজ্ঞানের ছাত্রী হয়েও মাঝেমাঝে বাংলা সাহিত্যচর্চার স্বাদ থেকে নিজেকে বঞ্চিত করিনি। স্বামী পুত্র মাথা খেতে লাগল। বলল যা লিখছ সব আর জীবনে খুঁজে পাবেনা। হারিয়ে যাবে।
ভাবলাম স্বাধীনভাবে যখন লিখতে পারি মনের কথা ,প্রকাশ করতে পারি বাংলাভাষায় তখন... । কিন্তু সকলের উদ্দেশ্যে এই কথা,এই ভাষা ছড়িয়ে দেবার স্বাধীনতা নেই। বুঝলাম "এ কেবল দিনে রাত্রে ,জল ঢেলে ফুটা পাত্রে ,বৃথা চেষ্টা তৃষ্ণা মেটাবার।" হাল ছাড়লাম না। অবশেষে ইন্টারনেটের গোলকধাঁধায় হারিয়ে গেলাম ফাগুনের আগুনে রেঙে ওঠা এক পড়ন্ত বিকেলবেলায়। দিনটা ছিল ২৩ শে ফেব্রুয়ারি,শনিবার,২০০৮ .... আমার যাত্রা হোল শুরু।
খুলে ফেললাম নিজস্ব 'ব্লগ' । অসাধারণ আইডিয়া! অভিনব টেকনোলজি, স্বাধীনভাবে যা খুশী লেখো সেখানে। অব্যক্ত মনের কথা, অপ্রকাশিত প্রাণের ব্যাথা, বাংলা হরফে টাইপ করা আর কোনো বাধাই নয়। ইউসারফ্রেন্ডলি ফন্টের দৌলতে খটাখট টাইপ করে,আপলোড করে দাও ব্লগে। সারা পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের লোক পড়ছে আমার লেখা,মন্তব্য পাঠাচ্ছে ই-মেলে--এই বা কি কম কথা। আমি আজ স্বাধীন লেখক হলাম। এতদিনে প্রকৃত স্বাধীনতার স্বাদ পেলাম। যেখানে আমার হারিয়ে যেতে নেই মানা। যেখানে আমার লেখনীর ঝর্ণাকলমের মুক্ত হরফ, স্বাধীন ভাষার ছন্দে উদ্দাম নৃত্যের তালে তালে স্বাধীনভাবে সৃষ্টি করে চলেছে অবিরত। সব শাসনের লক্ষণরেখাকে মুছে দিয়ে স্বাধীন আমিই আমার একমাত্র সম্পাদক, প্রকাশক এবং সর্বোপরি মুদ্রাকর।
"সোনার তরীর রূপোর পালে ব্লগের হাওয়া লাগলো বলে, ঘুচল শিকল মুক্ত পাখির ফুটল বুলি যন্ত্রজালে।"
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)