৩ এপ্রিল, ২০১৮

কর্ণাটকের আনেগুডি গ্রামে মধ্যাহ্ন ভোজনে

তুঙ্গভদ্রা নদী

কিস্কিন্ধ্যা হেরিটেজ ট্যুর। আদিবাসীদের প্রত্যন্ত আনেগুডি গ্রামে পায়ে হেটে ঘুরে দেখা। জোয়ার বাজরার খেত। একটু সবুজ ধান জমি। আধটু আখের বন, কলাগাছের সারি। ভাঙ্গা পরিত্যক্ত মন্দির। আর তারপরেই স্থানীয় ননদ ভাজের একটুকরো ঘরে ঢুকে আতিথেয়তা প্রাপ্তি। হাত ধোয়ার জল, গামছা। তারপর দ্বিপ্রাহরিক ভোজে আপ্যায়ন। কড়িবরগার ঘরের মাথায় আকাশ আলো থেকে চুইয়ে পড়া রোদে ভেসে যাওয়া খাবার টেবিল। সারে সারে তামার ঘড়া, কলসী তাকে তোলা। আর তারপর? থালার ওপর কলাপাতায় লেবুর মিষ্টি আচার, বাদাম গুঁড়ো। বাজরার তুলতুলে পরোটা।আর পঞ্চ ব্যঞ্জন, লেবু ভাত, টক দই, স্টার ফ্রায়েড স্প্রাউট উইথ তড়কা " উসলি", রসম, রেড সয়াবিন বা লোবিয়া র পদ, কারামনি কাড়লু আর সদ্য খেত থেকে তুলে আনা অনবদ্য খুদে বেগুণের গা মাখা কারী। মধুরেণসমাপয়েৎ শুকনো খোলায় নেড়ে নেওয়া অড়হর ডাল বাটা আর গুড় এর পুর ভরা ঘিয়ে ভাজা পরোটা মিষ্টি বা পূরণ পলি দিয়ে। মেয়েটি হাল্কা হাতে নরম চোখে একটু ঘিয়ের ছিটে দিয়ে দিল।



কোন মন্তব্য নেই: