১১ নভেম্বর, ২০১৫

কালী কালী বলো রে আজ...

  • কালী কালী বলো রে আজ...

দুর্গাপুজো নিয়ে মাতামাতি কাটতে না কাটতেই  আবারো উত্সবের প্রস্তুতি সারা দেশ জুড়ে। কার্তিকমাসের অমাবস্যা যত এগিয়ে আসে তত‌ই উন্মাদনা বাড়তে থাকে। বাজারহাটের  উপহার কেনাবেচা, দেওয়ালীর পসরা, বাজি-উত্সব, ভূতচতুর্দশী, কালীপুজোর দশকর্ম্ম, আবার ঐদিনে অলক্ষ্মী বিদায়ের তোড়জোড়, এক‌ই সাথে দীপাণ্বিতা লক্ষ্মীপুজোর প্রস্তুতি, আলোর উত্সব, মিলন উত্সব সবকিছু নিয়ে বাঙালী-অবাঙালী নির্বিশেষে যেন রমরমা তখন আকাশে বাতাসে।

দেবী দুর্গা মহিষাসুর বধের পর ফিরে গেছেন কৈলাসে। দেবতারা মহাখুশিতে তাঁকে স্তবমন্ত্রে বন্দনা করলেন। বললেন, ভবিষ্যতে আবারো যদি দেবকুল বিপদে পড়ে তবে আপনি আবার আমাদের বিপন্মুক্ত করবেন। দেবী সুপ্রসন্না হয়ে বললেন,"তথাস্তু"  । এরপর বেশ কিছু যুগ কেটে গেল নির্বিঘ্নে। শুম্ভ আর নিশুম্ভ আবারো উত্পাত শুরু করল দেবলোকে।  দেবতারা আবার দেবীর তপস্যা করতে লাগলেন। জাহ্নবীর জলে স্নানরতা দেবী পার্বতী তখন তাঁর দেহের কৃষ্ণকোষগুলি ত্যাগ করছিলেন। আর সেই কৃষ্ণকোষ দিয়ে আবির্ভূতা হলেন দেবী কৌষিকী। অতি সুন্দরী কৌষিকীর গায়ের রং হল নীলচে। পার্বতী দেবগণের কাছে তখন দেবী কৌষিকীর মহিমা বর্ণনা করলেন। শুম্ভ-নিশুম্ভ বধের জন্য দেবীর স্বীয় শরীর থেকে সৃষ্ট এই দেবী যে কতখানি ক্ষমতার অধিকারিণী তা দেবতারা কার্যকালে জানতে পারলেন। এই কৌষিকীদেবী‌ই দেবী কালিকা বা কালী নামে পরিচিতা। কালের দেবী এই কালী। যুগ যুগান্ত ধরে ভারতবর্ষের কোণায় কোণায় শক্তিসাধনার প্রতীকরূপে বন্দিতা।


সদানন্দময়ী কালী মহাকালের মনমোহিনী তুমি আপনি নাচ, আপনি গাও, আপনি দাও মা করতালি...

এই কালীকে তন্ত্রে বিশ্বমাতৃত্বের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। কারণ মহামায়ার এইরূপটি বিশ্বের মানুষের চেতনার চৈতন্যস্বরূপিণী। এই মহাকালী একাকিনী-অসঙ্গা-আনন্দস্বরূপা। নিজেই নিজের স্বরূপে বিমোহিতা।

কালী নিয়ে বহু কাহিনী প্রচলিত। মাদুর্গার স্প্লিট পার্সোনালিটি। কখনো গৌরী কখনো শ্যামা। যখন যেমন তখন তেমন। অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা তাঁর। গৌরী হল তাঁর আদুরে, স্বামী সোহাগিনী রূপ। শ্যামা হল পুরুষসংসর্গরহিত করাল রূপ। দক্ষরাজের মহাযজ্ঞে পতি নিন্দা শুনতে না পেরে মনের দুঃখে সতী দেহত্যাগ করেছিলেন। হিমালয় পত্নী মেনকা আবারো এক কন্যার জন্য  তপস্যা শুরু করলেন। যথাসময়ে মেনকার গর্ভে এক অপরূপা কন্যাসন্তান জন্মালো। এই কন্যা সুন্দরী হলেও তার গায়ের রং ছিল নীলপদ্মের মত শ্যামবর্ণের। কন্যার গাত্রবর্ণ দেখে গিরিরাজ নাম রাখলেন কালী। যথাসময়ে কালীর সাথে শিবের বিবাহ হল।

শ্রীশ্রীচন্ডীতে আছে অন্য কাহিনী। মহিষাসুরকে বধ করার পর দেবী দুর্গা দেবতা, মানব সকলকে আশ্বাস দিয়ে বলেছিলেন যখন তোমরা বিপদে পড়বে  তাঁকে স্মরণ করলেই তিনি আবারো দস্যুবধে অবতীর্ণ হবেন।  এদিকে আবার বহুযুগ পর কাশ্যপমুনির স্ত্রী দনুর গর্ভে শুম্ভ আর নিশুম্ভের জন্ম হল। যৌবনে দুইভাই তপস্যা করে ব্রহ্মার কাছ থেকে বর পেল যে তাদের কোনো দেবতা বা মানব বধ করতে পারবেনা । তারা অজেয় হয়ে উঠল। তাদের দৌরাত্ম্যে আবারো সমগ্র দেবকুল ক্ষেপে উঠল। দেবতারা দেবী দুর্গার স্মরণ নিলেন। ইতিমধ্যে গঙ্গায় স্নান কালে দেবী পার্বতী তাঁর শরীরের কৃষ্ণকোষগুলো থেকে একটি অপূর্ব দেবীমূর্তি  তৈরী করলেন। এই নীলাভরংয়ের দেবী মূর্তির নাম কৌষীকি বা কালী। এই করালবদনা কালিকা হিমালয়ে বেড়াচ্ছিলেন।  হঠাত চন্ড আর মুন্ডের নজরে এল এই অসামান্য দেবীমূর্তির রূপ। জনবিরল স্থানে এমন নারীমূর্তিকে দেখে শুম্ভ-নিশুম্ভকে তারা দেবীমূর্তির কথা জানালো। শুম্ভ-নিশুম্ভর তা শুনে জেদ চেপে গেল।  বললে, ঐ নারীকে তাদের সামনে যেকোনো মূল্যেই হাজির করা হোক। তাঁকে তারা  বিয়ে করতে চায়। চন্ড-মুন্ড দেবীকে সেইকথা জানাতেই  দেবী বললেন, ছোটবেলায় তিনি প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যে পুরুষ তাঁকে যুদ্ধে হারাতে পারবে তাকেই তিনি স্বামীরূপে বরণ করবেন।   শুম্ভ সেইকথা শুনে আরো রেগে গিয়ে দেবীর সাথে যুদ্ধে অবতীর্ণ হল।

শুম্ভ দেবীর দিকে ছুটে যেতেই তাঁর কৃষ্ণবর্ণের ভ্রুকুটিদ্বয়এর মধ্যস্থিত কপালের অংশ থেকে খড়্গধারা, পাশহন্তা কালী নির্গত হলেন  ।  নরকঙ্কালধারিণী, নরমুন্ডমালা পরিহিতা ভীষণা, লোলজিহ্বা, বিশাল মুখমন্ডলে কোটরাগত রক্তিম চক্ষু দেখে ভয়ে দানবকুল  বেগে পলায়ন করল।  দেবীর এই রূপটি হল দশমহাবিদ্যার অন্যতম রূপ যা কালী নামে পরিচিত। এই সেই ভয়ানক দেবী যিনি কোনো কিছু অন্যায়ের সাথে আপোষ করেননা। এই সেই কালের উপাস্য দেবী যাঁর একহাতে বরাভয় অন্যহাতে নরমুন্ড। পিশাচ-পিশাচী ঘিরে থাকে এই দেবীকে। অমাবস্যা যাঁর অতিপ্রিয়। শ্মশানেমশানে যিনি ঘুরে বেড়ান মনের সুখে।   অন্যহাতে সুখ আর বাকী হাতটিতে দুঃখ নিয়ে যিনি দেখান ভানুমতীর খেল। সৃষ্টি আর লয়ের সব রহস্য যাঁর জলভাত সেই কালের দেবী কালী। 

বিন্দুতে মা'র সিন্ধুখানি,  ঠিকরে পড়ে রূপের মানিক, বিশ্বেমায়ের রূপ ধরেনা, মা আমার তাই দিগবসন, দেখে যা আলোর নাচন...

ষোড়শ শতাব্দী (১৫০০ সালে) নবদ্বীপে মাতৃসাধক কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশ প্রথম কালীর মূর্তি গড়ে পুজো করেছিলেন। তাঁর মাতৃসাধনার চরম মূহুর্তে ইষ্টদেবীর একটি রূপ তাঁর মনে ধরা দিল। নিরাকার দেবীকে নিয়ে আরাধনা আর ভালো লাগছিলনা তাঁর।  এক অমাবস্যার নিশ্ছিদ্র অন্ধকার রাতে শ্মশানে ধ্যানমগ্ন কৃষ্ণানন্দের চেতনায় দেবী এসে ধরা দিলেন। নিরাকার দেবীর সাকার রূপ দেখতে পেলেন সাধক। অনাবিল পরিতৃপ্তিতে কৃষ্ণানন্দের দুইচোখ ভেসে গেল জলে। দেবী বললেন "বাছা, ভোর হলেই চোখ খুলে তুমি যেরূপ স্ত্রীলোকের মূর্তি সর্বপ্রথম দেখতে পাবে তেমনি মূর্তি গড়ে আমার পূজাপাঠ করো।"  কৃষ্ণানন্দ ভোর হতেই আসন ত্যাগ করে লোকালয়ের দিকে পা বাড়াতেই প্রথমেই দেখতে পেলেন অন্ত্যজশ্রেণীর স্বল্পবসনা  এক কালোমেয়েকে। যার শাড়িটি বেশ উঁচু করে পরা।  খোলাচুলে দুহাতের একটিতে একতাল গোবর ও অন্যহাতে সেই গোবর থেকে কিছুটা তল নিয়ে যেন ঘুঁটে দেবার জন্য প্রস্তুত সে।তার একটি পা মাটিতে আর অন্য পা'টি ঘরের উঠোনের মধ্যে । কৃষ্ণানন্দকে দেখে লজ্জায় সেই মেয়ে জিভ কাটলে। সাধক ভাবলেন "এই তো সেই মাতৃরূপ! যা তিনি হাতড়ে বেরিয়েছেন এতদিন ধরে, এই মেয়ের মতোই হবে দেবীমূর্তির রূপ।" মস্তিষ্কে তাঁর বৈদ্যুতিক শিহরণ খেলে গেল।

এবার প্রশ্ন হল আমরা যে কালীমূর্তির পুজো করি তিনি নগ্না, দিগবসনা। সন্তানদের হাত দিয়ে তৈরী মেখলা বা কোমরবন্ধনী পরিহিতা। কৃষ্ণানন্দতো শাড়ী পরিহিতা মেয়েকে দেখেছিলেন তবে কেন এমন হল?
ইতিহাস, পুরাণ, লোকগাথার ভিন্ন ভিন্ন কাহিনী অনুধাবন করলে জানা যায় দেবীমূর্তির ভিন্ন ভিন্ন উত্পন্নের কথা। কালীমূর্তির অদ্ভূত বৈশিষ্ট্যগুলি সেখানে প্রকট। তাঁর লাল টুকটুকে জিভটি বের করে রাখা হল পন্ডিতদের মতে রজোগুণের প্রতীকস্বরূপ। যুদ্ধে উন্মত্ত দেবী সেই লাল জিভ শুভ্র দাঁতগুলি দিয়ে চেপে রেখেছেন যা তাঁদের মতে সত্ত্বগুণের প্রতীক। অর্থাত সত্ত্বগুণ দিয়ে রজোগুণকে নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন দেবী।  দেবীর গলায় একান্নটি মুন্ডমালা বর্ণমালার একান্নটি বর্ণের প্রতীক। তাঁর আলুলায়িত, কুঞ্চিত  ও মুক্ত কেশরাজি মানুষের অন্যতম ষড়রিপু মোহের প্রতীক। তাঁর একহাতে খড়গ হল শত্রুদলনের প্রতীক আর অন্যহাতে বরাভয় হল শান্তির প্রতীক, সন্তানের পালিতা রূপ। দেবী বাইরে করালরূপিণী, ভয়ঙ্করী কিন্তু অন্তরে স্নিগ্ধা, সন্তান বাত্সল্যে উন্মুখ।তাঁর কটিবন্ধে মেখলার মত হাত ঝুলতে দেখি। এগুলি বোধহয় মানুষের কর্মফল স্বরূপ যা আমরা সঁপে দিয়েছি দেবীর কাছে। 

আর তিনি দিগবসনা অর্থাত নগ্না।  তার কারণ স্বরূপ বলি, আমরা বাইরে থেকে শাড়ী জড়ানো সকল দেবীমূর্তির যে রূপ দেখি তা কল্পনাপ্রসূত। আবরণ ও আভরণের মোড়কে দেবীর আসল রূপটি চাপা পড়ে যায়। যেমন পরম ব্রহ্মের অরূপ-স্বরূপ সবটুকুনি‌ই মায়ায় আবৃত।  সেই অমোঘ মায়াজালকে ছিন্ন করে পরম ব্রহ্মের স্বরূপটি উপলব্ধি করতে পারি, কালীমূর্তির নিরাবরণ রূপটিও কালীর আসল ভাব ও তাত্পর্যকে  ফুটিয়ে তোলে। আবার তাঁর ব্যাপ্তিটি এত‌ই অসীম ও আদিগন্ত যে কোনো কিছু ঐহিক আবরণে তাঁকে ঢাকা দেওয়া যায়না। তাই বুঝি এক মাতৃসাধকের কথায়,

"মা আমার নয় খড় জড়ানো, নয় মাটির উপর রং মাখানো।
বিশ্বজোড়া মূর্তিমায়ের আকাশেতে প্রাণ জড়ানো।" 


  • অন্ধকারের উত্স হতে উত্সারিত আলো...

পুরাণকথায় পাই দেবী কালী নাকি কার্তিকমাসের এই চতুর্দশীর রাতে ভয়ানক অত্যাচারী নরকাসুরকে বধ করেন। তাই তামিলনাডুতে এই চতুর্দশীর রাতেই দীপাবলি পালিত হয়। কিন্তু অন্য সব রাজ্যে পরের দিন অর্থাত অমাবস্যার রাতেই কালীপুজো হয়। গোয়ায় নরকাসুরের কুশপুত্তলি পোড়ানো হয় মহা সমারোহে। কাগজের তৈরী এই কুশপুতুলে নানারকম বাজি বেঁধে তাতে অগ্নিসংযোগ করে জ্বালানি হয়। কারণ কিংবদন্তীর কড়চা বলে গোমন্তেশ্বর বা গোয়াতেই নাকি নরকাসুরের দাপট অতিবৃদ্ধির জন্য স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ তা রুখতে সেখানে হাজির হন সুদর্শন চক্র সমেত। তবে নরকাসুর বলি হন মা কালীর হাতে।

গুজরাট, রাজস্থান, মহারাষ্ট্র উত্তরপ্রদেশ সহ সর্বত্র দেওয়ালী পালন করা হয় আলোর উত্সব, ধনতেরস ইত্যাদির সাথে । আত্মীয় বন্ধুদের সাথে উপহার আদানপ্রদান হয়, মোমবাতি, প্রদীপের আলো দিয়ে ঘরবাড়ি সাজানো হয়।

দক্ষিণ ভারতে যেমন নরকাসুর বধের আনন্দোত্সব হল দীপাবলী উত্তর ভারতে রামচন্দ্রের রাবণ বধ করে অযোধ্যায় ফিরে আসার বিজয়োত্সব।আলো দিয়ে অযোধ্যা নগরীর কোণা কোণা সাজানো হয়েছিল। তাই আলোর উত্সব দীপাণ্বিতা বা দীপাবলী বা দেওয়ালি। মূল কথা আলো আর তাকে কেন্দ্র করেই নতুন পোষাক, সুখাদ্য আর উপহার আদানপ্রদান। সেই কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারীকা, কামরূপ থেকে কাথিয়াবাড় সর্বত্রই অশুভ শক্তির বিনাশ আর শুভ শক্তির বরণোত্সব হল দীপাবলীর মদ্যা কথা।

ধনাগমের জন্য মানুষ করে ধনতেরস ও লক্ষ্মী-গণেশের পুজো। মূল উদ্দেশ্য একটাই। শ্রীবৃদ্ধি আর উন্নতি। আলোয় আলোয় সব ঘুচে যাক্‌, মুছিয়ে দে মা মনের কালি।
 সংসারে সারাবছর যাতে শ্রীবৃদ্ধি হয়, ধনাগম হয় সেই আশায় । লক্ষী, নারায়ণ আর ধনপতি কুবেরের পুজো হয় । পিটুলি বাটা দিয়ে মা তাঁর নিপুণ হাতে তৈরী করেন তিন পুতুল.... সিঁদুর দিয়ে পিটুলির তৈরী লালরঙের লক্ষ্মী পুতুল, নীলের গুঁড়ো দিয়ে নীল নারায়ণ পুতুল, আর অপরাজিতা পাতা বাটা দিয়ে সবুজ কুবের পুতুল । কলার পেটোতে সেই পুতুল তিনটিরই আসলে পূজো হয় ঐদিন । আর একটি কলার পেটোতে মাথা থেকে আঁচড়ানো চুলের নুড়ি, একটু গোবর আর একটা ভাঙা মোমবাতি রেখে তৈরী হয় অলক্ষী । চাটাই পিটিয়ে, মোমবাতি জ্বেলে অলক্ষীকে বাড়ির বাইরে বের করে পূজো করে, লক্ষী, নারায়ণ আর ধনপতি কুবেরকে শাঁখ বাজিয়ে বরণ করে প্রতিষ্ঠা করা হয় ।
চাটাই বাজাতে বাজাতে বলা হয়,
"অলক্ষ্মী বিদেয় হোক, ঘরের লক্ষ্মী ঘরেই থাক্" আসলে কুললক্ষ্মী তথা ভাগ্যলক্ষ্মীর পুজো এই দীপাণ্বিতা লক্ষ্মীপুজো। সূর্যাস্তের আগেভাগে প্রদোষকালে হয় অলক্ষ্মীর পুজো। তারপর শুরু হয় দীপাণ্বিতা লক্ষ্মীর পুজো। ব্রতকথা অনুসন্ধান করতে গিয়ে জানলাম  ঈশ্বর, মানুষ, পুজোআর্চা এসবকিছুই  তো মানুষের মনগড়া। এই অনুষঙ্গগুলি জীবনযাপনের উপলক্ষ্যমাত্র। উপযুক্ত চেষ্টা এবং ভাগ্যের জোরে মানুষের সংসারে শ্রীবৃদ্ধি হয়। যাকে আমরা বলি লক্ষ্মীর আগমন। তাই ভাগ্যলক্ষ্মীকে বরণ করা হয় দীপাণ্বিতার দিনে।  

কোন মন্তব্য নেই: